যশোর প্রতিনিধি: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, আইয়ামে জাহেলিয়াতের পর ‘আওয়ামী জাহেলিয়াত’ স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তার ভাষায়, আওয়ামী জাহেলিয়াতের সবচেয়ে বেশি শিকার হয়েছে হেফাজতের কর্মীরা। শাপলা চত্বওে অসংখ্য নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়। গ্রেপ্তার করা হয় ১৪শ’ নেতাকর্মীকে।
ভারতের তাবেদার সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে হেফাজত নেতাকর্মীদের ওপর এ নির্যাতন চালানো হয়, বলেন তিনি।
মাওলানা মামুনুল হক মঙ্গলবার বিকেলে যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহে শানে রেসালাত সম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
হেফাজতে ইসলাম যশোর জেলা শাখা এ শানে রেসালাত সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে সংগঠনটির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
সম্মেলনে মাওলানা মামুনুল বলেন, বাংলাদেশকে ইসলাম শূন্য করতে নানা ষড়যন্ত্র চলেছে। এই দেশে ‘বাহাত্তরের চেতনাকে’‘ একাত্তরের চেতনা’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হয়। জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ঠিক একই কায়দায় নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র চলছে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের নাস্তিকবাদের মাধ্যমে বিভ্রান্তি করার চেষ্টা করলে হেফাজত মোকাবেলা করবে, কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
সংগঠনের যশোর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আনোয়ারুল করীম যশোরীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান।
তিনি বলেন, তাজিয়াদি সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে। হেফাজতে ইসলাম চাই ৯০ ভাগ মুসলিম দেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থা হবে ইসলাম ভিত্তিক। ৯০ ভাগ মুসলিম দেশে ধর্ম নিরপেক্ষ সংবিধান আমরা মানি না। এদেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থা বিচার ব্যবস্থা অর্থ ব্যবস্থা সব জায়গায় ইসলামের আদর্শ বাস্তবায়নের দিকে এগোতে হবে।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা নাজমুল ইসলাম কাসেমী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী এবং কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মুশতাক আহমেদ, মাওলানা সাখাওয়াত হুসাইন।










