নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের শার্শা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ সবুজ হোসেন খানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন খাত থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় ও চাঁদাবাজির অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। তার দাবি, তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন এবং দলীয়ভাবে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যেই সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এসব অভিযোগ প্রচার করা হচ্ছে।
সবুজ হোসেন খান বলেন, ছাত্রদলের একজন দায়িত্বশীল কর্মী হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছেন। কোনো ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষ কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় বা চাঁদাবাজির সঙ্গে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। তার রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট কোনো ঘটনা, ভুক্তভোগীর নাম, অর্থের পরিমাণ, সময়-স্থান কিংবা কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি বলেও দাবি করেন সবুজ হোসেন খান। তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যদি কেউ চাঁদাবাজির অভিযোগ করে থাকেন, তাহলে সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ তা প্রকাশ করা হোক। আমি যেকোনো নিরপেক্ষ তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত।’
শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহিরের মদদে তিনি চাঁদাবাজি করছেন—প্রকাশিত প্রতিবেদনের এমন অভিযোগও সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন সবুজ হোসেন খান। তার দাবি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক স্বার্থে বিএনপির বিভিন্ন নেতার নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি দলের শৃঙ্খলা ও আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। বিএনপি ও ছাত্রদলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়—এমন কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা নেই। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে কেউ যদি রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগতভাবে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে, প্রয়োজনে আমি আইনগতভাবে তার মোকাবিলা করব।’
এদিকে স্থানীয় ছাত্রদল ও বিএনপির নেতাকর্মীদের একটি অংশও অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই না করে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপপ্রচার না চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, কারও বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ থাকলে যথাযথ প্রমাণ ও তথ্যের ভিত্তিতে সাংগঠনিকভাবে বিষয়টি তদন্ত করা উচিত।
সবুজ হোসেন খান তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, ‘আমি চাই সত্য উদঘাটিত হোক। তদন্তে যদি আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে সাংগঠনিকভাবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা আমি মেনে নেব। কিন্তু মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয় করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
তিনি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করার অনুরোধ জানান এবং তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগ প্রত্যাহার করে সঠিক তথ্য প্রকাশের দাবি করেন।










