শাহাবুদ্দিন আহামেদ, বেনাপোল:
বেনাপোল স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং হ্যান্ডেলিং শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মঞ্জারুল হক মান্না বেনাপোল সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ও বন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন।
সোমবার (২২ জুন ২০২৬) দুপুরে ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় বেনাপোল স্থলবন্দরের বিভিন্ন সমস্যা, অবকাঠামো উন্নয়ন, পণ্য খালাসের গতি বৃদ্ধি, ব্যবসায়ীদের সেবার মান উন্নয়ন এবং শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মঞ্জারুল হক মান্না বলেন, “বেনাপোল স্থলবন্দর দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার। এ বন্দরের উন্নয়ন, ব্যবসায়ীদের সেবা নিশ্চিতকরণ এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে। সকল পক্ষের যৌক্তিক দাবি বিবেচনায় নিয়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা হবে।”
বেনাপোল সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ শামছুর রহমান বলেন, “বেনাপোল বন্দরের উন্নয়নের পাশাপাশি শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও বন্দর কর্তৃপক্ষ একসঙ্গে কাজ করলে বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।”
সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক লতা বলেন, “শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবিসহ বিভিন্ন যৌক্তিক বিষয় নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। আমরা আশা করি, এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।”
সভায় উপস্থিত বন্দর কর্মকর্তা, সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট নেতৃবৃন্দ এবং শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা হ্যান্ডেলিং শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবির বিষয়ে একমত পোষণ করেন।
আলোচনার পর শ্রমিকদের উত্থাপিত যৌক্তিক দাবি-দাওয়া মেনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা উপস্থিত শ্রমিক প্রতিনিধিরা স্বাগত জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ শামছুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক লতা, মেহের উল্লাহ,মোস্তাফিজোহা সেলিম, শাহাবুদ্দিন, বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন-৯২৫-এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ সহিদ আলী, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
সভা শেষে বেনাপোল স্থলবন্দরকে আরও আধুনিক, গতিশীল ও ব্যবসাবান্ধব বন্দরে পরিণত করতে এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।










