শার্শা প্রতিনিধি: যশোরের শার্শার কন্যাদহে সন্ত্রাসীদের হাতে ২ বিএনপির কর্মী গুরুতর জখমের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিদের মধ্যে জিল্লু রহমান ওরফে জিল্লু নামে একজনকে আটক করেছে শার্শা থানা পুলিশ।
রোববার (৯ আগস্ট ২০২৬) দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয় বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, শার্শা থানায় ৯ আগস্ট একটি মারামারি ও গুরুতর জখমের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬/৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটিতে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৫০৬(২) ও ১১৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শার্শার কন্যাদহ এলাকায় পূর্ববিরোধের জের ধরে এক ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র, লোহার রড, লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর ও গুরুতর জখম করার অভিযোগ ওঠে। এতে ওই ব্যক্তির মাথা, হাত ও পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
এ ঘটনায় রেশমা খাতুন নামে এক নারী বাদী হয়ে শার্শা থানায় মামলা দায়ের করেন।
এজাহারে মোঃ আব্বাস গাইন, মোঃ নাসির গাইন, জিল্লু রহমান, শাহ আলম, রুমাজ গাইন, নয়ন হোসেন, অনিক, হাসানুর গাইন, আলম, মোস্তাকিন, কালু, ইয়ান হোসেন, রিপন হোসেন ও বায়েজিদ হোসেনসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
তবে মামলার আসামিদের মধ্যে জিল্লু নামে একজনকে পুলিশ আটক করেছে বলে জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে পূর্বে চাঁদাবাজি, অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করে দেখছে।
তার গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় তার প্রভাব ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছিল।
শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শামিনুল হক জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে মামলায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।










