শাহাবুদ্দিন আহামেদ:
যশোরের শার্শা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম শহীদ নামে ফেসবুক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন অপপ্রচারের অভিযোগে স্কেন্দার আলী জনি নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় (জিডি) করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ( ৩১ শে মার্চ ২০২৬) সন্ধ্যায় যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম শহীদ শার্শা থানায় হাজির হয়ে স্কেন্দার আলী জনি নামে
একটি জিডি করেন।
জিডি সূত্রে জানা যায়,শার্শা উপজেলার ৯নং উলাশী ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. শহিদুল ইসলাম শহীদ গত ২৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে এ অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, যশোর কোতোয়ালি থানার বানিয়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা স্কেন্দার আলী জনি দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে তাঁর এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করে আসছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, যশোর জেলা যুবদলের আহ্বায়ক একে আজাদ তমাল, সদস্য সচিব আনছারুল হক রানা, মো. কামরুল ইসলামসহ বিভিন্ন নেতার বিরুদ্ধেও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্তকে সতর্ক করা হলেও তিনি তা উপেক্ষা করে ২৯ মার্চ পুনরায় একাধিক ফেসবুক আইডি থেকে আপত্তিকর, মিথ্যা ও বানোয়াট পোস্ট দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
জিডিতে কয়েকটি ফেসবুক আইডির লিংকও উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
স্কেন্দার আলী জনি, যশোর সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা এবং যুবদলের বহিষ্কৃত প্রচার সম্পাদক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালে স্কেন্দার আলী জনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ঢাকায় গ্রেপ্তার হয়ে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ শিরোনাম হয়েছিলেন।
যশোর জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক কামরুল ইসলামের কাছে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং একই সঙ্গে জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচার, কুৎসা ও ভীতি প্রদর্শন করে আসছিলেন।
এছাড়া তিনি ফেসবুক লাইভ ও পোস্টের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে নিয়ে বিতর্কিত ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেন, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং আদালতে সোপর্দ করা হয় বলে যানাগেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
শার্শা থানার এক কর্মকর্তা জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।










