নিউজ সান ডেস্ক
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানানোর পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্তের পক্ষেও যুক্তি দেন ট্রাম্প। তার দাবি, ইরান যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে আক্রমণ করবে, তা ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার।
ট্রাম্প লেখেন, এই যুদ্ধ ইরানকে ইতিমধ্যেই ‘সামরিক ও আর্থিকভাবে পদ্ধতিগতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। তারা দ্রুত তাদের পথ পরিবর্তন না করলে আমরা শিগগিরই কাজটি শেষ করে দেব।’
তিনি আরও লেখেন, ‘ইসরায়েলের ভুল নেতা থাকলে, যিনি বিবি ছাড়া অন্য কেউ হবেন, তাহলে আমেরিকাকে এই কাজ নিজেদেরই করতে হবে। আর আমি তা করতে আগ্রহী নই।’
ইসরায়েলের ভেতর থেকেও তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়েছেন নেতানিয়াহু। তবে ট্রাম্পের ভাষায়, ‘প্রচণ্ড বিরোধিতার মুখেও, এমনকি খোদ ইসরায়েলের পক্ষ থেকে আসা বিরোধিতার মধ্যেও বিবি নেতানিয়াহু শক্তিশালী, সাহসী ও মেধাবী ছিলেন।’
ট্রাম্পের পোস্টের জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আমার বন্ধু, আপনার এই অসাধারণ সমর্থনে আমি অত্যন্ত সম্মানিত ও অভিভূত। এ জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। হোয়াইট হাউসে ইসরায়েল এর আগে কখনও এত বড় বন্ধু পায়নি। এ কথা বললে কমই বলা হবে।’
নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি মার্কিন জনগণকে বলতে চাই, আপনারা যদি আজকের গ্যাসের দাম নিয়ে চিন্তিত হন, তবে ভেবে দেখুন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করলে কী হবে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও আমি কখনোই তা হতে দেব না। যখন ওই শাসনের হুমকি দূর হয়ে যাবে, তখন গ্যাসের দাম কমে যাবে, এবং তা ব্যাপকভাবেই কমবে। তবে সেটা কেবল ট্রাম্পের আমলেই ঘটবে। যারা এই স্বৈরশাসকদের সঙ্গে আপস ও তোষণ করতে চায়, তাদের আমলে তা ঘটবে না।’










