শাহাবুদ্দিন আহামেদ : রাজধানীর বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার জুনারি গ্রামের বাসিন্দা হীরা খাতুন কর্তৃক যশোর জেলা বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন দলটির নেতারা।
বিএনপি ও যুবদল নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিকভাবে বিএনপি ও যুবদলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তাদেরই ইন্ধনে হীরা খাতুন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার চালিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।
নেতৃবৃন্দ আরও দাবি করেন, হীরা খাতুন অতীতে মাগুরা জেলা মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একসময় তিনি অতি দরিদ্র পরিবারের সদস্য হলেও বর্তমানে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এসব সম্পদের উৎস নিয়েও জনমনে নানা প্রশ্ন রয়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন।
তারা অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সময় মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করে মোটা অংকের অর্থ আদায়ের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে। সম্প্রতি যশোর জেলা বিএনপি ও যুবদলের শীর্ষ নেতাদের জড়িয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে তাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্মান ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম শহীদ বলেন, “হীরা খাতুনকে ব্যবহার করে একটি মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেক আইডি ও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে তিনি মাগুরা জেলা মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। একজন সাবেক মহিলা লীগ নেত্রী হয়েও কীভাবে এখনো বিএনপি ও যুবদলের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, এসব মিথ্যা ও মানহানিকর প্রচারণার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।”
উল্লেখ্য, হীরা খাতুনের বাড়ি মাগুরা জেলার শালিখা থানার কাতলী গ্রামে এবং তার শ্বশুরবাড়ি জুনারি গ্রামে অবস্থিত।










